হিম হিম সব শুন্যতা গিলে খায় আলতো রোদের দুপুরগুলো


নির্মিতা নূর- এর কবিতা:


হোমসিক 


আলতো রৌদ্রমাখা মায়া মায়া দুপুরগুলো

কেমন যেনো ধাঁ-ধাঁয় ফেলে।

এইতো সবটা আছে, 

ভালো আছি বেশ! 

তবুও, ভালো লাগারা এদিক ওদিক উবে যায়।

বহুদিন আগের না পাওয়ার ঢেউ 

একটু করে ছুঁয়ে ছুঁয়ে যায় পা..

এক পা পিছাই, দু পা এগোই, 

খেলতে থাকি ছোঁয়াছুঁয়ি। 

আমি ভুলে যাই ভালো আছি।

শীতের রাতের মতো বাড়তে থাকে 

যাবতীয় সব মন খারাপ..

হিম হিম সব শুন্যতা গিলে খায়

আলতো রোদের দুপুরগুলো। 

ভুলেরা সব আশাহতের গান গেয়ে 

কুয়াশা টানায়।

আমি,

একটা দুটা প্রাপ্তি গেঁথে চাদর বুনি।

গায়ে জড়াতেই ভাবি ওম..ওম..ওম..

তবুও কনুই চেপে শীত তাড়াই।

স্বস্তি? অস্বস্তি?! 

ভালো তো আছি।

তবু শীতার্ত আহত পাখিদের 

নীড় খুঁজতে দেখে,

আমার হোমসিক লাগে।


*

জীবন বিষণ্ণ সুন্দর


আর তারপর,

জীবনের সব পাওয়া, না পাওয়ার হিসেব কষতে বসে

বুঝলাম, দিনশেষে না পাওয়া বলে কিছুই নেই!


অপূর্ণ হাজারো আশা

ভিখ মেঙে নেয়া ভালোবাসা

ভীষণ রকম ভাঙচুর শেষে হালকা মায়া চুমু

ছোট্ট কোনো ডাকনাম 'হেম' কিংবা 'কুমু'

শ'খানেক লাইন কেঁটে ছেঁটে লেখা কোনো কোটেশান, 

উদাস হয়ে দেখতে থাকা হিপনোটাইজ রোটেশান,

ভেঙে চুরমার হয়ে বাড়ি ফিরে, ঘুম...

বন্ধ চোখে বাবার নরম চুম!

ভাতঘুম শেষে জানলা দিয়ে বিকেল দেখা,

পুরনো প্রিয় আয়াটার নাম ‘কাজল রেখা’। 

একলা হয়ে, একলা রয়ে বাঁচতে শেখা

একলা রুমে বদ্ধ থেকে গানটা লেখা।

শুন্য থেকে বিষণ্ণতায় হারিয়ে যাওয়া..

বিষণ্ণতার ব্ল্যাকহোলে সব হারিয়ে পাওয়া! 


জীবন কি বিষন্ন সুন্দর! 

না পাওয়াদের ঠাঁই নেই এখানে..

Post a Comment

0 Comments

Close Menu